মসজিদের জমি দখল অতঃপর ঈমাম ও মুয়াজ্জিন গলা ধাক্কা


জে এম আলী নয়নঃ
————————————–
অনেকদিন ধরে মসজিদের নামে রেকর্ডকৃত জমি দখলের পায়তারার পর তা দখল করে গতোকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে পবিত্র শবে-বরাতের রাতে কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার নন্দুনেফড়া গ্রামের নাগড়াকুড়া বাজার সংলগ্ন (উলিপুর-নাগড়াকুড়া বাজার রাস্তার পাশে) নব-নূর জামে মসজিদের ঈমাম আলহাজ্ব কারী মুহাম্মদ শামসুল আলম ও মুয়াজ্জিন মুহাম্মদ মেহেরুল ইসলামকে গলা ধাক্কা দিয়ে বের করে দিয়েছেন উক্ত মসজিদের প্রাক্তন সভাপতি আব্দুল আজিজ (মুক্তিযোদ্ধা) এসময় তার সাথে সঙ্গ দেন তার দুই ভাই আব্দুল মজিত ও উমর আলী এবং তাদের সন্তানরাও মোঃ আমিনুল ইসলাম (আব্দুল মজিত), মোঃ রুকু মিয়ে (আব্দুল আজিজ) ও মোঃ আশরাফুর আলম (উমর আলী) এতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে বলে জানা গেছে।

এতে করে নাগড়াকুড়া এলাকায় জনমনে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে! এলাকাবাসী বলছেন অনেদিন যাবৎ মসজিদের জমি দখল করার পায়তারা করে আসছিলেন তারা এবং পাশের কিছু অন্যান্য জমিজমার রেশে এই ঘটনা ঘটিয়েছেন তারা। অন্যন্য জমিজমার বিষয়ে তারা জানান মসজিদের পাশে কিছু জমিজমা নিয়ে কয়েকটি পরিবারের সাথে মতোবিরোধ চলছে।

আব্দুর রব রানা নামের এক যুবক জানান- জমিজমার বিরোধী প্রতিপক্ষের “বাড়িতে (আব্দুর রহমান মন্টু সোনার) মিলাদ মাহফিলে অংশ গ্রহণ করায় তাদেরকে মসজিদ হতে বের করে দিয়েছেন আব্দুল আজিজ (মুক্তিযোদ্ধা) এবং তার সাঙ্গরা। অথচ প্রতি শব-বরাতের রাতে আব্দুর রহমান মন্টু সোনারের বাড়িতে তার মরুহুমা স্ত্রীর আত্মার মাগফেরাত কামনা করে উক্ত জামায়াতের সকলকে নিয়ে দোয়া ও ভোজনের আয়োজন করে থাকেন, কিন্তু এবার ব্যাপারটি একটু অন্য রকম হয়ে গেল।” শাহ আলম রাজু নামের আর এক ব্যক্তিও একই কথা বলেন যে, “জমিজমার রেশের বলি হয়েছেন ঈমাম ও মুয়াজ্জিন সাহেব”।
বিক্ষুব্ধ ছিলেন আশেপাশের মসজিদের ঈমমরাও, তারা আজ শুক্রবার জুময়ার নামাজের সময় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও সমালচনাও করেনন এবং এর পরিপুক্ত বিচার দাবি করেন।

এই ঘটনার পর আজ সকালে উক্ত মসজিদ প্রাঙ্গনে জামায়াতের প্রায় সকল মুসুল্লি ও উক্ত মসজিদের আর এক প্রাক্তন সভাপতি আলহাজ্ব নুরুন্নবী মিয়া সহ গণ্যমাণ্য ব্যাক্তিবর্গের উপস্থিতে একটি বৈঠক হয়, উক্ত বৈঠকে “মসজিদের জমি দখল এবং মান্য ঈমাম সাহেবকে অপমানিত করার জন্য” মামলা করার শিদ্ধান্ত নেওয়া।

ঈমাম আলহাজ্ব কারী মুহাম্মদ শামসুল আলম এবং মুয়াজ্জি মুহাম্মদ মেহেরুল ইসলাম প্রায় সাত বছর হতে উক্ত মসজিদের সাথে যুক্ত ছিলেন। এব্যাপারে ঈমাম সাহেবের সাথে কথা বলার চেস্টা করলে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।
পরে উক্ত মসজিদের আর এক সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব নুরুন্নবী মিয়ার সাথে কথা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা শিকার করে বলেন আমি এই ঘটনার পুক্ত বিচার চাই।


আপনার মন্তব্য

comments

Powered by Facebook Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *