এক নজরে উলিপুর



অলি আউলিয়ার আশির্বাদ পুষ্ট দেবী চৌধুরাণীর উপাখ্যাণ ধণ্য

মহারাণী স্বর্ণময়ী আব্বাসউদ্দিণের স্মৃতি বিজড়িত,

ব্রক্ষ্মপুত্র-তিস্তা-ধরলা বিধৌত, পান-সুপারী, ধান-পাটে ভরপুর,

এক কথায় নাম তার উলিপুর।

(Map Courtesy: Maps Of Bangladesh)

উলিপুর উপজেলা, রংপুর বিভাগের কুড়িগ্রাম জেলার অন্তর্গত একটি প্রশাসনিক এলাকা। ভারতের সাথে সীমান্তঘেষা এ শহরটি দেশের বৃহৎ উপজেলার গুলোর মধ্যে একটি।

উলিপুর উপজেলা কুড়িগ্রাম জেলা সদর হতে ১৮ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। এ উপজেলার আয়তন ৪৫৮.৫৭ বর্গ কিলোমিটার।

অবস্থান: ২৫°৩৩´ থেকে ২৫°৪৯´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯°২৯´ থেকে ৮৯°৫১´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ।

উলিপুরের পশ্চিমে রংপুর জেলার পীরগাছা ও গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা, দক্ষিণে গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ ও চিলমারী উপজেলা। পূর্বে রৌমারী উপজেলা ও আসামের গোয়ালপাড়া জেলা এবং উত্তরে কুড়িগ্রাম সদর ও রাজারহাট উপজেলা।

এছাড়া উপজেলার পশ্চিমে তিস্তা নদী, পূর্বে ব্রক্ষ্মপুত্র ও উত্তর পুর্বাংশে ধরলা নদী প্রবাহিত।

নামকরণের ইতিহাসঃ অতীতে এই অঞ্চলের ইসলাম প্রচারের জন্য বহু অলি আউলিয়ার আগমন ও সমাবেশ ঘটায় এই এলাকার নাম হয় “অলিপুর”। ভারতবর্ষে মুসলমান শাসনামলে অলিপুর নামটিই প্রচলিত ছিল। অলীপুর বলতে “অলীতে পূর্ণ” বোঝায়। পরবর্তীতে বৃটিশ শাসনামলে ডাক বিভাগ চালু হলে নাম বিভ্রাট দেখা যায়। কেননা পোস্টাল কার্ডের ইংরেজী বানানে অলীপুর বানান “O” দিয়ে লিখলে নোয়াখালী জেলার অলীপুরের সহিত এবং “A” দিয়ে লিখলে চব্বিশ পরগনার “আলীপুর” নামের সঙ্গে মিলে যায়। এই বিভ্রান্তি এড়ানোর জন্য ULIPUR বানানে “O” এর পরিবর্তে “U”এর প্রচলন শুরু হয়। ধীরে ধীরে পোস্টাল কার্রডে ব্যবহৃত এই নামটিই উলিপুর হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

(তথ্যসুত্রঃ “উলিপুরের ইতিহাস ও লোক সাহিত্য” – সৈয়দ আবু রায়হান। )

১৯০২ সালে উলিপুর থানা গঠিত হয় এবং ১৯৮৪ সালে উলিপুর থানাকে উপজেলায় রুপান্তর করা হয়।

১৩টি ইউনিয়ন পরিষদ, ১৩৩টি মৌজা এবং ৩৫৪টি গ্রাম নিয়ে উলিপুর উপজেলা পরিষদ গঠিত আছে।

মোট জনসংখ্যার ৮৯.৭৯% মুসলিম, ৮.৬৫% হিন্দু এবং ১.৫৬% অন্যান্য ধর্মাবলম্বী।

উপজেলায় ৮২৬ টি মসজিদ ও ১৩২ টি মন্দির আছে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সমূহের মধ্যে উলিপুর মসজিদুর হৃদা, উলিপুর শাহী জামে মসজিদ, দলদলিয়ার কাজী মসজিদ, পাঁচপীরের ৩ গমবুজ মসজিদ, শ্রী শ্রী গোবিন্দ জিও মন্দির, ধামশ্রেণীর শ্রী শ্রী সিদ্ধেশবরী শিব কালীমন্দির উল্লেখযোগ্য।

উলিপুর পৌরসভাঃ

উলিপুর পৌরসভা সম্পর্কে আরো জানতে এখানে ক্লিক করুন। 

উলিপুর উপজেলার ইউনিয়নসমূহঃ

ইউনিয়ন সমূহ

ইউনিয়নের নাম ও জিও কোড

আয়তন (বর্গ কিঃ মিঃ)

লোকসংখ্যা

শিক্ষার হার (%)

গুনাইগাছ (৫৫)

২৯.০৪

৪২৬১৬

৪১.৩৯

তবকপুর (৭৮)

৩২

৪০৫৩০

৩৫.৪৪

থেতরাই (৮৩)

২৭.৪৫

৩০৫০১

৩১.৫০

দলদলিয়া (৩৩)

২৮

৩০২০০

৩৬.০১

দূর্গাপুর (৫০)

২৪.৪৫

৩৪২৬৩

৩৯.৭৬

ধরণীবাড়ী (৪৪)

২৮

৩৪৪৮৫

৩৪.৮০

ধামশ্রেণী (৩৯)

১৫.৮৬

২৫২৫০

৩৫.১২

পান্ডুল (৭২)

২০.৭৪

৩০৭৮০

৪০.০১

বজরা (১৬)

৩৭.৮৮

৩৫৮৭০

৩৫.৭১

বুড়াবুড়ী (২২)

৩৯.৮০

৩২৮৫০

২৮.৩০

বেগমগঞ্জ (১৪)

৪৫.৯৫

৩১২০০

১৫.১৫

সাহেবের আলগা (৭৫)

২৮

১৫৩২৪

১৯.৫৫

হাতিয়া (৬১)

৩৫

২৮৯৩৩

২৭.৯৭

                                                                                                          (জনসংখ্যা, ২০১১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী।)

                                                                                                            (শিক্ষার হার, ২০০১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী।)

উলিপুর উপজেলার ইউনিয়নসমূহ সম্পর্কে আরো জানতে

এখানে ক্লিক করুন

উলিপুর উপজেলা সংসদীয় এলাকা হিসেবে কুড়িগ্রাম-৩ (উলিপুর,চিলমারী) নামে পরিচিত।

মোট ভোটার সংখ্যা ২,৭০,১৩৩ জন (প্রায়)। পুরুষ ১,৩০,২৭৩ জন, মহিলা ১,৩৯,৮৬০ জন।

প্রাচীন নিদর্শনাদি ও প্রত্নসম্পদঃ

→ উলিপুর জামে মসজিদ,

→ পাঁচপীরের ৩ গম্বুজ মসজিদ,

→ মুন্সিবাড়ী (ধরনীবাড়ী),

→ সাতদরগাহ জামে মসজিদ,

→ বজরা জামে মসজিদ,

→ কাজী মসজিদ (দলদলিয়া ইউনিয়ন, ১২১৪ হিজরী),

→ পাথরের উপর আরবি ভাষায় খোদিত হোসেন শাহী আমলের একটি মসজিদের শিলালিপি (বরেন্দ্র যাদুঘরে রক্ষিত),

→ সিদ্ধেশ্বরী মন্দির,

→ শিববাড়ি মন্দির,

→ গোবিন্দ জিউ মন্দির।

শিক্ষাঃ

উপজেলায় শিক্ষার হার ৪৫.০৬%।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সমুহের মধ্যে উলিপুর এমএস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, উলিপুর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, গুনাইগাছ পাইলট উচ্চবিদ্যালয়, উলিপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজ, দুর্গাপুর উচ্চ বিদ্যালয়, আদর্শ বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, নতুন অনন্তপুর বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, এম এ মতিন কারিগরি ও কৃষি কলেজ, পাঁচপীর ডিগ্রি কলেজ, উলিপুর মহিলা ডিগ্রি কলেজ উল্লেখযোগ্য।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

১১৮ টি

রেজি: প্রাথমিক বিদ্যালয়

১২৪ টি

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যা:

০১ টি

জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয়

১০ টি

উচ্চ বিদ্যালয় (সহ: শিক্ষা)

৩৫ টি

উচ্চ বিদ্যালয় (বালিকা)

১৬ টি

দাখিল মাদ্রাসা

৪০ টি

আলিম মাদ্রাসা

০৬ টি

ফাজিল মাদ্রাসা

০৮ টি

কামিল মাদ্রাসা

০১ টি

কলেজ (সহপাঠ)

০৭ টি

কলেজ (বালিকা)

০১ টি

শিক্ষার হার

৪৫.০৬%

পুরুষ

৪৯.৫%

মহিলা

৪১.৭%

 

কৃষিঃ

উলিপুর একটি কৃষি প্রধান উপজেলা। মোট জনগোষ্ঠীর ৪৫.৫৭% কৃষি, ২৯.০৩% কৃষি শ্রমিক, ২.০১% অকৃষি শ্রমিক, ৪.১৭% চাকরি, ৮.৫১% ব্যবসা এবং ১০.৭১% অন্যান্য পেশার সাথে সম্পৃক্ত।

প্রধান কৃষি ফসল ধান, পাট, গম, আলু, পটল, করলা, পিঁয়াজ, রসুন, পান।

বিলুপ্ত বা বিলুপ্তপ্রায় ফসলাদির মধ্যে রয়েছে সরিষা, কাউন, তিল, তিসি, মসুর, খেসারি। প্রধান ফল-ফলাদি আম, কাঁঠাল, জাম, নারিকেল, পেঁপে, কলা, সুপারি।
প্রধান রপ্তানি দ্রব্যঃ পাট, সুপারি, পান, পিঁয়াজ, রসুন।

মোট জমির পরিমাণ

৩০,৯৮০ হেক্টর

নীট ফসলী জমি

মোট ফসলী জমি

৬৩,১১৫ হেক্টর

এক ফসলী জমি

৯৮০ হেক্টর

দুই ফসলী জমি

২১,৪৫০ হেক্টর

তিল ফসলী জমি

৬,৩২৫ হেক্টর

চার ফসলী জমি

৬৫ হেক্টর

গভীর নলকূপ

৫৯ টি

অ- গভীর নলকূপ

৬,৬৮১ টি

শক্তি চালিত পাম্প

০৮ টি

ব্লক সংখ্যা

৪৫ টি

বাৎসরিক খাদ্য চাহিদা

১,২৯,১২০ মে: টন

 

দর্শনীয় স্থান সমূহঃ

→ টুপামারী পুকুর (জিয়া পুকুর)।

→ ধামশ্রেণী মন্দির।

→ মুন্সিবাড়ী।

→ শ্রী শ্রী গোবিন্দ জীউর মন্দির।

→ জালার পীরের দরগাহ।

→ সাত দরগাহ মাজার।

→ শহীদ গোবিন্দ স্মৃতিফলক।

→ তিস্তা নদী।

→ নাও ডাঙ্গার বিল।

→ কাজী মসজিদ (১২১৪ হিজরী)।

→ রানী স্বর্ণময়ী সরোবর (উলিপুর কাচারী পুকুর
পার্ক)।

 

ঐতিহাসিক ঘটনাবলিঃ

১৯২০ সালে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে উলিপুরের বেশকিছু ব্যক্তিত্ব সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। এদের মধ্যে একজন ঋষিকেষ মজুমদার কারাবরণ করেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় উলিপুরের পূর্ব দিকে চৌমুনী বাজারের নিকট পাকবাহিনীর একটি কনভয়ে অকুতোভয় মুক্তিযোদ্ধারা আক্রমণ করে। পাকবাহিনীরা মন্ডলের হাট, বুড়াবুড়ি, অনন্তপুর ও হাতিয়ায় আক্রমণ চালিয়ে প্রায় ৭০০ গ্রামবাসীকে হত্যা করে। উপজেলার মন্ডলের হাট নামক স্থানে মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে পাকসেনাদের এক সম্মুখযুদ্ধে সাতজন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন।

ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, উলিপুর উপজেলার সভ্যতা বহু প্রাচীণ। এই এলাকায় মহারাণী স্বর্ণময়ীর অবস্থান, ভবানী পাঠকের আগমন, দেবী চৌধুরাণীর বজরায় আগমন, বাহারবন্দ কাচারী, রাণী সত্যবতীর ধামশ্রেণী সিদ্বেশরী মন্দির, দলদলিয়া কাজীরচক মসজিদ এবং আসাম অভিযানে মুঘল সম্রাটের উলিপুর উপজেলাকে ব্যবহার প্রাচীণ সভ্যতার পরিচয় বহন করে।

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্নঃ

→ গণকবর ৩ টি

(উলিপুর ডাকবাংলো সংলগ্ন, হাতিয়া দাগার কুটি ও ধরণীবাড়ী মধুপুর)।

→ স্মৃতিস্তম্ভ ৩ টি।

স্বাস্থ্যঃ

→ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১ টি।
→ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র ১৪ টি।
→ উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র ৪ টি।
→ চক্ষু হাসপাতাল ১ টি।
→ মাতৃমঙ্গল ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র ১ টি।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

০১ টি

বেডের সংখ্যা

৫০ টি

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র

০৪ টি

ডাক্টারের মঞ্জুরকৃত পদ সংখ্যা

২৪ টি

কর্মরত ডাক্টারের সংখ্যা

০৭ জন

সিনিয়র নার্স সংখ্যা(মঞ্জুরীকৃত)

১০ জন

সিনিয়র নার্স সংখ্যা(কর্মরত)

০৭ জন

সহকারী নার্স সংখ্যা(মঞ্জুরীকৃত)

০১ জন

এ্যাম্বুলেন্সের সংখ্যা

০১ টি

 

যোগাযোগ ব্যবস্থাঃ

পাকা রাস্তা

১৩২ কি: মি:

এলজিইডি

১০৬ কি: মি:

হাইওয়ে

২৬ কি: মি:

কাচা রাস্তা

১০৩৫ কি: মি:

 রেলপথ

 ১৫ কিঃ মিঃ

 

মৎস্য সংক্রান্তঃ

পুকুরের সংখ্যা

৫৩৩৩ টি

মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার (সরকারি)

নাই

মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার (বেসরকারি)

০৩ টি

বাৎসরিক মৎস্য চাহিদা

৬৩০০.০০ টন

বাৎসরিক মৎস্য উৎপাদন

৫৪৮৯.৩০ টন

 

প্রাণী সম্পদঃ

উপজেলা পশু চিকিৎসা কেন্দ্র

০১ টি

পশু ডাক্টারের সংখ্যা

০১ জন

কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র

০৮ টি

পয়েন্টের সংখ্যা

০৮ টি

উন্নত মুরগীর খামারের সংখ্যা

১৫০ টি

গবাদি পশুর খামার সংখ্যা

৩০ টি

পোল্ট্রি খামার সংখ্যা

১৫০ টি

 

সাধারণ তথ্যাদি

জেলা

কুড়িগ্রাম

উপজেলা

উলিপুর

সীমানা

উত্তরে কুড়িগ্রাম সদর ও রাজারহাট উপজেলা, দক্ষিনে চিলমারী ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলা, পূর্বে রৈমারী উপজেলা ও ভারতের আসাম রাজ্য, পশ্চিমে পীরগাছা উপজেলা।

জেলা সদর হতে দূরুত্ব

২০ কিঃমিঃ

আয়তন

৪৫৮.৫৭ বর্গ কি:মি:

জনসংখ্যা

৪,১০,৮৯০ জন (প্রায়) (২০১১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী)

পুরুষ

১,৯৮,৬২৫ জন

মহিলা

২,১২,২৬৫ জন

জনসংখ্যার বার্ষিক বৃদ্ধি

০.৯৩%

মোট পরিবার(খানা)

১,০৩,০৬১ জন (২০১১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী)

নগর

১১,৫২৬ জন

অন্যান্য নগর

০ জন

গ্রামীণ

৯১,৫৩৫ জন

মোট ভোটার সংখ্যা(২৭-কুড়িগ্রাম ৩ আসন)

৩,২৪,৭১০ জন

পুরুষ ভোটার সংখ্যা

১,৫৬,৫৪০ জন

মহিলা ভোটার সংখ্যা

১,৬৮,১৭০ জন

মোট ভোটার সংখ্যা(উলিপুর উপজেলা)

২,৭০,১৩৩ জন

পুরুষ ভোটার সংখ্যা

১,৩০,২৭৩ জন

মহিলা ভোটার সংখ্যা

১,৩৯,৮৬০ জন

নির্বাচনী এলাকা

০১ টি  (২৭- কুড়িগ্রাম-৩)

গ্রাম

৩৫৪ টি

মৌজা

১৩৩ টি

ইউনিয়ন

১৩ টি

পৌরসভা

০১ টি

পৌর ওয়ার্ড

০৯ টি

পৌর মহল্লা

১৬ টি

মসজিদ

৮২৬ টি

মন্দির

১৩২ টি

নদ-নদী

০৩ টি

এনজিও

২৬ টি

হাট-বাজার

৩১ টি

ব্যাংক শাখা

 ০৮টি (বেসরকারী-১টি)

পেট্রোল পাম্পের সংখ্যা

০২ টি

ফায়ার সার্ভিস স্টেশন

০১ টি

বাস টার্মিনাল

০১ টি

রেল স্টেশন

০২ টি

কেন্দ্রী শহীদ মিনার

০১ টি

বর্ন্যাতদের জন্য আশ্রয় কেন্দ্রের সংখ্যা

০২ টি

টেলিফোন এক্সচেঞ্জ

০১ টি

 

সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে উলিপুর উপজেলার অবদান কম নয়। এই অঞ্চলের ভাওইয়া, চটকা, দোতরা কুশান গান জাতীয় পর্যায়ে স্বীকৃত।যেসব সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা উলিপুর উপজেলায় কাজ করছে সেগুলো হলো উলিপুর ভাওয়াইয়া একাডেমী, ললিত কলা একাডেমী, উদিচি শিল্পী গোষ্ঠী, উপজেলা শিল্পকলা একাডেমী এবং পাবলিক লাইব্রেরী।

 

তথ্যসূত্রঃ

১) আদমশুমারি রিপোর্ট ২০০১, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

২) আদমশুমারি রিপোর্ট ২০১১, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

৩) উলিপুর উপজেলা, বাংলাপিডিয়া পেজ।

৪) উলিপুর উপজেলা, উইকিপিডিয়া পেজ।

৫) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৬)  উলিপুর উপজেলা সাংস্কৃতিক সমীক্ষা প্রতিবেদন  ২০০৭।